ভাইরাসকে অকোশীয় বলার কারণ কী ?
ভাইরাসকে অকোশীয় বলার কারণ— 1. ভাইরাসের দেহে প্রোটোপ্লাজম না থাকায় কোশীয় বিপাক ঘটে না। 2. কোশীয় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম আয়তনের থেকেও এরা ক্ষুদ্রাকার হয়।
Continue readingLost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.
ভাইরাসকে অকোশীয় বলার কারণ— 1. ভাইরাসের দেহে প্রোটোপ্লাজম না থাকায় কোশীয় বিপাক ঘটে না। 2. কোশীয় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম আয়তনের থেকেও এরা ক্ষুদ্রাকার হয়।
Continue readingভাইরাস শুধুমাত্র ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দৃশ্যমান, নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA বা RNA) ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত, অতি ক্ষুদ্র, পূর্ণ পরজীবী, একধরনের অকোশীয়, জীব ও জড়ের মাঝামাঝি পর্যায়ের বস্তু, যারা কেবল সজীব কোশেই বংশবৃদ্ধি করতে সক্ষম, তাদের ভাইরাস ...
Continue reading1. ব্যাকটেরিয়ায় উদ্ভিদের ন্যায় কোশপ্রাচীর উপস্থিত। 2. ব্যাকটেরিয়ার কোশপ্রাচীরটি নীলাভ-সবুজ শৈবালের কোশপ্রাচীরের ন্যায় পেপটাইডোগ্লাইক্যান দ্বারা গঠিত। 3. কিছু কিছু ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে সবুজ উদ্ভিদের ন্যায় হলোফাইটিক পুষ্টি সম্পাদিত হয়। 4. উদ্ভিদের ন্যায় অঙ্গজ জনন সম্পন্ন করে। উপরোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলির জন্য ব্যাকটেরিয়াকে উদ্ভিদ বলা
Continue readingব্যাকটেরিয়াকে প্রোক্যারিয়োটিক বলা হয়, কারণ— 1. ব্যাকটেরিয়ার দেহে কোনো পর্দাবৃত কোশীয় অঙ্গাণু থাকে না। 2. সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না। 3. ব্যাকটেরিয়ার রাইবোজোম 70S প্রকৃতির। উপরোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলির জন্য প্রোক্যারিয়োটিক বলা হয়।
Continue readingআলোকের অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলনেক জন্যই এরকম ঘটে। কচুপাতার ওপর অনেক সূক্ষ্ম রোম থাকে। এই সূক্ষ্ম রোম- গুলির মধ্যে বায়ু আটকে থাকে। কচুপাতা সিক্ত হয় না তাই, রোমগুলির ওপর জল গোলকের আকারে অবস্থান করে। এভাবে প্রতিটি জলবিন্দুর তলায় বায়ু আটকে ...
Continue readingপ্রতিসরাঙ্ক কাকে বলে কোনো একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোকরশ্মি এক মাধ্যম থেকে অপর মাধ্যমে প্রতিসৃত হলে আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাতকে প্রথম মাধ্যমের সাপেক্ষে দ্বিতীয় মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্ক বলে। বক্তব্যটির অর্থ এই যে, আলোকরশ্মি বায়ু থেকে কাচে ...
Continue readingবায়ুর সাপেক্ষে গ্লিসারিন ও কাচের প্রতিসরাঙ্ক সমান। সেজন্য গ্লিসারিনের মধ্যে কাচদণ্ড ডোবালে দুটি মাধ্যম মিলে গিয়ে একটি সমসত্ত্ব মাধ্যমের মতো আচরণ করে। অর্থাৎ আলো এই মাধ্যম দুটিকে পৃথক করতে পারে না। ফলে এই মাধ্যম দুটিতে আলোর বেগ সমান হয়। সেইকারণে ...
Continue readingআলোর প্রতিসরণের প্রভাবে এরূপ ঘটনা দেখতে পাওয়া যায়। দণ্ডের যে-অংশটি জলের ওপরে থাকে, সেখান থেকে আলোকরশ্মি সরাসরি আমাদের চোখে আসে এবং দণ্ডের ওই অংশকে আমরা প্রকৃত অবস্থানে দেখি।
Continue readingলঘু মাধ্যম থেকে ঘন মাধ্যমে আলোকরশ্মির প্রতিসরণের সময়, প্রতিসৃত রশ্মি অভিলম্বের কাছে চলে আসে। ফলে যখন আপতিত রশ্মি 90° কোণে আপতিত হয়, তখনও প্রতিসৃত রশ্মি অভিলম্বের সাথে 90°-এর কম কোণ উৎপন্ন করে। সেজন্য কখনই লঘু মাধ্যম থেকে ঘন মাধ্যমে ...
Continue readingআলোকের অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন আলোকের অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলনে, আলোকরশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমের বিভেদতলে আপতিত হয়ে প্রতিফলিত হয় এবং আবার ঘন মাধ্যমেই ফিরে আসে। যেহেতু এই প্রতিফলন ঘন মাধ্যমের অভ্যন্তরেই ঘটে, তাই এই প্রকার প্রতিফলনকে বোঝানোর ...
Continue reading